1. live@nbtv24.net : NBtv24 : NBtv24
  2. info@www.nbtv24.net : NB TV 24 :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা সামগ্রী ও প্রকল্পের টাকা নিয়ে নয়-ছয়ের অভিযোগ দলিল পুড়িয়ে সমালোচনার মুখে চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্টার মালয়েশিয়ার বন্ধ শ্রমবাজার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: প্রবাসী কল্যাণ সচিব পেকুয়ায় উপকূলের রক্ষাকবচ প্যারাবন উজাড় করে মৎস্যঘের নির্মাণ চকরিয়ায় বৃত্তির নামে ২৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর সাথে প্রতারণা অভিযোগ,  লামার উন্নয়ন ও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে আমির হোসেনের সাক্ষাৎ, মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে অভিযান, ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ আটক ৪৭২ সাঈদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে চকরিয়ায় ক্রীড়াবিদদের মানববন্ধন সাফারি পার্কের রেঞ্জার মনজুরের এতো ক্ষমতার উৎস কোথায়? নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া রাতে অভিযান ড. জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দিতে আলোচনা চলছে: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

দলিল পুড়িয়ে সমালোচনার মুখে চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্টার

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

এইচ এম রুহুল কাদের :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাবিদারবিহীন প্রায় ৩২শ’ দলিল পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলিল সংরক্ষণের নানা সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন এসব গুরুত্বপূর্ণ নথি পুড়িয়ে ফেলা হলো এ নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার তীব্র সমালোচনা চলছে ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিনের উপস্থিতিতে ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দাবিদারবিহীন এসব দলিল পোড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব দলিলের কোনো দাবিদার ছিল না। তবে দলিল পোড়ানোর প্রায় দুই ঘণ্টা পর একজন দলিলগ্রহীতা তাঁর দলিলের বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বুধবার বিকেল ৫টায় চকরিয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন মোহাম্মদ আলম নামের এক ব্যক্তি। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২০ সালে ১৩৭৫ নম্বর দলিলটি করার জন্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ৫-৬ বার যোগাযোগ করেও তিনি দলিলটি পাননি। তাঁর দাবি, দলিল পুড়িয়ে ফেলা হবে, এমন কোনো তথ্য বা নোটিশও তাকে জানানো হয়নি।

মোহাম্মদ আলম বলেন, ৫-৬ বার যোগাযোগ করেও দলিলটি দেওয়া হয়নি। তারা দলিল পুড়িয়ে দেবে এ কথাও কোনো মাধ্যমে জানায়নি। আজ জানতে পারলাম দলিলটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে দলিল পোড়ানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ নথি ধ্বংস না করে সংরক্ষণ বা সংশ্লিষ্ট দলিলগ্রহীতাদের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেত কি না।

দলিল পোড়ানোর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে দলিলগ্রহীতাদের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানোর ব্যবস্থা করার পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকে ।

সচেতন মহলের অনেকে মনে করছেন, দলিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি ধ্বংস করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবহিত করা এবং নথিগুলোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা জরুরি ছিল। একই সঙ্গে সংরক্ষণাগার, ডিজিটাল সংরক্ষণ কিংবা অন্য কোনো নিরাপদ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব নথি সংরক্ষণের সুযোগ ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পুড়ানোর পূর্বে মাইকিং, নোটিশ ও গণমাধ্যমে প্রচার করেছি যাতে দলিলের মালিকরা নিয়ে যেতে পারে।

দলিলগুলো কী প্রক্রিয়ায় ‘দাবিদারবিহীন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দলিলগ্রহীতাদের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কি না এবং ৩২শ’ দলিল পোড়ানোর আগে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট