
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, চকরিয়া পৌরসভা ফিলিং স্টেশন, ছিদ্দিক আহমদ ফিলিং স্টেশন, শাহ উমর ফিলিং স্টেশন, এনআরসি ফিলিং ও সিএনজি স্টেশন, খাজা সিএনজি অ্যান্ড এলপিজি, এইচ কে এন্টারপ্রাইজ, হাজী আব্দুল মোনাফ ফিলিং স্টেশন, ডেমুশিয়ক স্টেশন এবং আয়ুব চৌধুরী ফিলিং স্টেশনসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
সরেজমিনে শাহ উমর ফিলিং স্টেশনের ফায়ার সিকিউরিটি লাইসেন্স নবায়ন করা রয়েছে বলে দেখা গেলেও অন্য কয়েকটি স্টেশনের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের তথ্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, ফিলিং স্টেশন ও গ্যাস স্টেশনে বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হয়। ফলে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ না থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে শুধু স্টেশন নয়, আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি ও সাধারণ মানুষের জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সম্প্রতি কক্সবাজারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয়রা বলছেন, অগ্নিনিরাপত্তায় সামান্য অবহেলাও বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
তাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনা ঘটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকার সব ফিলিং, সিএনজি ও এলপিজি স্টেশনের ফায়ার সিকিউরিটি লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন যাচাই করা।
এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে।