
সায়েদ মাহমুদ সালাহ উদ্দিন নামের একজন ভুক্তভোগী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে এসব অভিযোগ করেন।
স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায় করেন দফাদার শোয়েব। এসব অনিয়মের মাধ্যমে তার মাসিক অবৈধ আয় প্রায় লাখ টাকা বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এছাড়া দফাদার শোয়েবের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনেরও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন দফাদার শোয়েব বলেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগীরা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে দ্রুত দফাদার শোয়েবকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের দাবি, সরকারি নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পরিষদে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউপি প্রশাসক) শাহীন দেলোয়ার বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।