
চকরিয়া প্রতিনিধি:
মামলা, হামলা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন চকরিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও রাজপথের নেতা নুরুল আমিন কমিশনার। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর জীবন ও যৌবনের দীর্ঘ সময় মানুষের সেবা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজে ব্যয় করেছেন বলে দাবি করেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।
চকরিয়া বণিক সমিতির সভাপতি হিসেবে নুরুল আমিন কমিশনারের দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিনি প্রায় ১৮ বছর ধরে তাঁর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছেন। দীর্ঘ সময় কাছ থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর বিরুদ্ধে এক টাকার দুর্নীতির ঘটনাও নিজের চোখে দেখেননি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, “একজন মানুষকে দীর্ঘদিন কাছ থেকে দেখার পর তাঁর সততা ও নীতিবোধ সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি হয়, তা আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তাই কাউকে অসম্মান বা হেয়প্রতিপন্ন করার পরিবর্তে বাস্তবতা, তথ্য-প্রমাণ ও আইনের আলোকে বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত।”
জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি যেহেতু আইনগত, তাই উভয় পক্ষের উচিত আবেগের বশবর্তী হয়ে দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়া। মতপার্থক্য যেন ব্যক্তিগত শত্রুতা কিংবা সামাজিক অশান্তিতে রূপ না নেয়, সে বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে, চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীরচরের একটি মহলের বিরুদ্ধে নুরুল আমিন কমিশনারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে বিভিন্ন গুজব ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন তাঁর সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে তাঁর সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নুরুল আমিন কমিশনার চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলরও।
তাঁর সমর্থকেরা বলেন, কোনো অভিযোগ বা বিরোধের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই ছাড়া কারও বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো উচিত নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তথ্য-প্রমাণ ও আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করা প্রয়োজন।
এ ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযোগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হলে সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব।