
চকরিয়া প্রতিনিধি:
রফিকুল ইসলামের কিশোরী নাজমা আক্তারকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনার মামলায় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত জহির ও রবিউল আলম গং কর্তৃক ভিকটিম পরিবারকে নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায়।
সরেজমিনে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন এবং ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহীনি দিয়ে তাদের একমাত্র চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করে পুরো গ্রামের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয় ।
সরকারী জায়গায় বিকল্প চলাচলের রাস্তা তৈরি করলেও একইভাবে সেটিও বন্ধ করে দেয়া হয় ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে। পুরো গ্রামের সুপেয় পানির জন্য সরকারিভাবে বরাদ্ধকৃত নলকুপকে দখলে নিয়ে ইলেক্ট্রনিক মোটরের সাহায্যে নিজের ঘরে এককভাবে ভোগ করার অভিযোগ রয়েছে।
অপহরণ পূর্বক ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) কক্সবাজার এর তদন্ত প্রতিবেদনে। এই মামলার দায় এড়াতে সহিংসতার পথ বেঁচে নেওয়ার পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ভিকটিম মেয়ের অসুস্থ বৃদ্ধ বাবা রফিকুল ইসলামকে ১৫ অক্টোবর গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।
অভিযুক্ত রবিউল আলমের বক্তব্য নিতে বাড়িতে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি ত্যাগ করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী প্রত্যাশা করেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর হস্তক্ষেপে ঘটনার সত্যতা যাচাই পূর্বক এমন ন্যাক্কারজনক ও অমানবিক ঘটনার সঠিক বিচার হবে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উক্ত মিথ্যা বানোয়াট মামলা প্রত্যাহার ও নারী নির্যাতনকারীদের গ্রেফতার, চলাচলের পথ খুলে দেয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা ।