
সাদ্দাম হোসেন সাইফ | লামা, বান্দরবান | ১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
পেশাগত দায়িত্ব পালনে স্বীকৃতিস্বরূপ টানা দুই মাসের ‘সেরা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই)’ পুরস্কার অর্জন করেছেন জামিল আহমেদ। ২০২৬ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের সেরা এসআই হিসেবে তাঁকে পুরস্কৃত করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার। বর্তমানে তিনি কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জামিল আহমেদের এ অর্জনে আনন্দিত তাঁর সহকর্মী ও জুনিয়র পুলিশ সদস্যরা। টানা দুই মাস এ স্বীকৃতি অর্জন তাঁর পেশাগত জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সহকর্মীদের মতে, এ ধরনের স্বীকৃতি দায়িত্ব পালনে আরও নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
এদিকে, স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের অনেকে জামিল আহমেদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, সম্প্রতি এলাকায় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামিল আহমেদ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহলের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক একটি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা প্রয়োজন।
জামিল আহমেদের এ অর্জনকে সামনে রেখে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তিনি ভবিষ্যতেও পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তাঁর ভূমিকা আরও কার্যকর হবে—এমন আশাবাদ তাঁদের।
সবার প্রত্যাশা, কুমারী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক, সাধারণ মানুষ নিরাপদে বসবাস করুক এবং পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতায় জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী হোক।