মামলাটি চকরিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৌজা পুকপুকুরিয়া রাজধানীপাড়ার জমি সংক্রান্ত। মামলার বাদী ছকিনা বেগম, স্বামী আবু তালেব নকিব।
বিবাদীরা হলেন,আরিফুল ইসলাম, রায়হানুল ইসলাম, রোকসানা পারভীন ও শারমিন আক্তার। তাদের পিতা মৃত মাস্টার কবির আহমদ।
বিবাদী পক্ষের দাবি, তাদের অবগত না করে বাদীর সঙ্গে যোগসাজশ করে একতরফাভাবে দখল যাচাইয়ের নামে তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
বিবাদীদের অভিযোগ, ভূমি অফিসের রেকর্ড রুমে সংরক্ষিত তাদের নামজারি খতিয়ানের মূল নথিও তহসিল অফিসের যোগসাজশে গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, নথি গায়েবের ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের কেউ কেউ ভূমি অফিসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ঘুষ-বাণিজ্য ছাড়া এ ধরনের অনিয়মের সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা নয়। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে চিরিঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদা বেগম বলেন, “উক্ত মামলার পার্শ্ববর্তী জায়গায় তদন্তে যাওয়া হয়েছে। উক্ত মামলায় এখনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। মামলার কাগজ ও নথি গায়েবের বিষয়টি মিথ্যা, অফিসে সংরক্ষিত রয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম বলেন, তদন্তের পরে শুনানির সময় কেউ আপত্তি করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবাদী পক্ষের অভিযোগ, তাদের নোটিশ ও শুনানির সুযোগ না দিয়ে সরেজমিন তদন্ত করা হলে তদন্তের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাই মামলার নথি সংরক্ষণ, তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সব পক্ষকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।