এইচ এম রুহুল কাদের: জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত একটি মামলায় পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সচিব এবং বর্তমানে চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নুরুল আলমকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার রায় দিয়েছেন আদালত।
তবে রায় ঘোষণার পরপরই নুরুল আলম আইনানুগভাবে আপিল দায়ের করলে আপিল আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলাটি আপিল পর্যায়ে বিচারাধীন রয়েছে। আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়াধীন থাকবে।
একই মামলায় পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমসহ দুই আসামিকে আদালত অব্যাহতি দিয়েছেন।
এ বিষয়ে নুরুল আলম বলেন, এটি মূলত ২০১৭ সালে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলা। এজাহারে আমার নাম ছিল না এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও ছিল না। পরে দুদকের তদন্তে আমাকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, মামলার বাদী মামলা প্রত্যাহার করেছিলেন এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেননি। তারপরও আমাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমি এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব এবং ন্যায়বিচার পাব বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য, নুরুল আলম বর্তমানে আপিল আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত রয়েছেন এবং মামলাটি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি।