অভিযোগে মকছুদুর রহমান বলেন, অতীতে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। ওই ঘটনার পর অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন দেশ ছেড়ে পালিয়ে ছিলেন। পরে দেশে ফিরে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও তার ও তার পরিবারের ওপর হামলা এবং জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।
চকরিয়া থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, হারবাং ইউনিয়নের পাহাড়তলী এলাকায় ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত পৈত্রিক ভিটা দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভোগদখল করে আসছেন। পরিবারের অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে অংশ ক্রয়ের মাধ্যমে তিনি ওই সম্পত্তির অধিকাংশের মালিক হন এবং সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার আকতার আহামদ (৫০), তার ছেলে সিরাজুল ইসলাম মানিক (২৮) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন দীর্ঘদিন ধরে জমিটি দখলের চেষ্টা করে আসছেন। এ নিয়ে অতীতেও উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় তিনি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৩০ জুলাই সকাল প্রায় ৯টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ তার বসতভিটায় প্রবেশ করে পাকা ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে ইট, বালু, সিমেন্ট, রডসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী এনে স্তূপ করতে শুরু করেন। তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তাদের মারধরের চেষ্টা করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক দখল কার্যক্রম চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে দখল কার্যক্রম বন্ধের চেষ্টা করা হয়। পরে তিনি চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মকছুদুর রহমান বলেন, তার দাবির পক্ষে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আদালতে বিচারাধীন মামলার নথি রয়েছে। তিনি তার বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জোরপূর্বক দখল বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
চকরিয়া থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।