শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা প্রতিবাদ করে জানান, জন্মলগ্ন থেকেই মানসিক প্রতিবন্ধী জাহেদুল ইসলাম (১৮) অধিকাংশ সময় সড়ক, বাজার ও বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন। মাঝে মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তাকে বাড়িতে তালাবদ্ধ রাখেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১০ জুলাই সকালে জাহেদ সড়কের পাশে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে লাগানো মই বেয়ে উপরে উঠতে গিয়ে নিচে পড়ে যান। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
এ ঘটনায় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিলিজারপাড়ার বাসিন্দা মো. মেহেদী হাসান (১৮), পিতা-আব্দুর রহিম, মাতা-আয়েশা সিদ্দিকাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, আহত জাহেদের একটি মোবাইল ফোন স্থানীয় সিফাত নামে একজন নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সৃষ্টি হয়।
সেই ঘটনার রেশ ধরে মেহেদী হাসানকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি আমির হামজা, আমির হোসেন, নেছার উদ্দীন, আবুল কালাম, রুকন উদ্দিন, নাজেম উদ্দিন, মো. ইউনুস ও মো. ইলিয়াস বলেন, ঘটনাটি পরিকল্পিত হামলা নয়। এটিকে হামলা হিসেবে প্রচার করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোছাইন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।